অভিভাবকরা যা বলেন
যাঁদের সন্তান আমাদের সাথে কুরআনের পথে হাঁটছে, তাঁদের নিজের কথায় অভিজ্ঞতা।
নমুনাআআব্দুর রহমানহিফজ বিভাগের ছাত্রের বাবা
“ছেলেকে আবাসিকে দিতে ভয় পাচ্ছিলাম। এখন দেখি সে নিজে থেকেই ফজরে ওঠে, আর প্রতি সপ্তাহে তার সবক নিয়ে শিক্ষক নিজেই আমাদের জানান। পরিবেশটা সত্যিই পরিবারের মতো।”
আরও কিছু মতামত
নমুনা
পর্দার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিন্ত। মেয়ের তিলাওয়াত শুদ্ধ হয়েছে, আবার স্কুলের পড়াও পিছিয়ে নেই। শিক্ষিকারা খুব যত্ন নিয়ে পড়ান।
নমুনা
ক্লাসে ছাত্র কম, তাই শিক্ষক প্রত্যেককে আলাদা করে দেখেন। ছেলে এখন বাসায় খাওয়ার আগে-পরে দু’আ পড়ে, এটাই আমাদের বড় পাওয়া।
নমুনা
দৈনন্দিন ডায়েরি দেখে প্রতিদিন বুঝতে পারি মেয়ে কতটুকু মুখস্থ করল। অফিসে ফোন দিলে সবসময় আন্তরিকভাবে উত্তর পাই।
নমুনা
ছেলে স্কুলে পড়ে, ইশার পর এখানে কুরআন শেখে। দুই পড়া একসাথে চালানোর এমন সুযোগ আশেপাশে পাইনি।
নমুনা
প্রথম দিন মেয়ে কাঁদছিল, এখন সকালে নিজেই তৈরি হয়ে বসে থাকে। শিক্ষিকাদের ধৈর্য আর ভালোবাসাই এর কারণ।